আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
সবাইকে স্বাগতম আমার নতুন পোষ্টে,আবার ও হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে।
বেঈমান নাটকের রিভিউ।
আজকে আমি আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে এই নাটকের গল্পটি নিজের মত করে রিভিউ করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
নাটকের নামবেঈমানপরিচালকআদি বাসি মিজানঅভিনয়জহির আলভি, ইফফাত আরা তিথি সহ আরো অনেকেভাষাবাংলামুক্তির তারিখ২৭ অক্টোবর ২০২৪
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
প্রথমে নাটকটি শুরু হয়ে যায়৷ এখানে নায়ক এবং নায়িকাকে দেখানো হয়৷ তারা দুজনে অনেক জায়গায় দেখা করত এবং কথাবার্তা বলতো৷ তারা দুজন দুজনকে অনেক বেশি ভালোবাসতো৷ নায়ক নায়িকাকে অনেক বেশি ভালোবাসতো৷ তবে নায়িকা নায়কের সাথে বেঈমানি করছিল৷ সে অন্যান্য ছেলেদের সাথেও কথা বলতো৷ তার পাশাপাশি নায়কের সাথেও কথা বলতো৷ সে একসাথে অনেকগুলো ছেলের সাথে কথা বলতো যা নায়িকার ছোট বোন দেখতো৷ সে বলত যে নায়ক তাকে অনেক বেশি ভালোবাসে৷ সে যেন আর অন্য কোন ছেলের সাথে কথা না বলে৷ তবে নায়িকা কোন ভাবে সে কথা শুনতে রাজি ছিল না৷ কারণ নায়িকা ভেবেছিল নায়ক যেহেতু তাকে পাগলের মত ভালবাসে সে যদি অন্য ছেলেদের সাথেও কথা বলে তাহলেও কোন সমস্যা হবে না৷ এরকম অনেক ধরনের কথাবার্তা সে বলছিল৷ তবে নায়কের সাথে নায়িকার বোন এতদিন যাবত সবকিছু লুকিয়ে রেখেছে৷ তবে সে আর এসব কিছু সহ্য করতে না পেরে সব সত্য কথা নায়ককে বলে দিল৷
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
যখন নায়িকার বোন নায়ককে সকল সত্য কথাগুলো বলছিল তখন নায়ক এগুলো বিশ্বাস করতে চাচ্ছিল না৷ কারণ সে নায়িকাকে অনেক বিশ্বাস করত৷ সে নায়িকাকে এত বেশি ভালোবাসত যে সে কোনভাবেই এটি মানতে রাজি ছিল না যে নায়িকা অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলে৷ তবে যখন সে খুব ভালোভাবে দেখে সবকিছু বুঝিয়ে বলে তখন নায়ক সেই বিষয়টি বিশ্বাস করে৷ তবে তখনও নায়িকার বোন নায়িকাকে বোঝাচ্ছিল যাতে করে সে অন্য ছেলেদের সাথে কথা না বলে৷ তবে কোনভাবে সে এই কথা শুনতে রাজি ছিল না। এরপর নায়কের সাথে যখন নায়িকা দেখা করে তখন নায়ক তাকে বলে কিছু বলার আছে৷ কারণ নায়িকা এত সুন্দর ভাবে অভিনয় করছিল যে সে বোঝাচ্ছিল যে নায়ককে সে একমাত্র ভালোবাসে। সে নায়ককে ছাড়া অন্য কাউকে ভালোবাসে না৷ এরকম একটা ভাব তার মধ্যে ছিল ৷ তবে নায়ক তখন সবকিছু জানত এবং নায়ক সেই অভিনয় দেখছিল৷
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
এরপর নায়ক যখন একেবারে ভেঙে পড়ল এবং সে যখন অনেক বেশি কষ্ট পেতে থাকে এবং সে কি করবে কিছুই বুঝতে পারছিল না সে অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে৷ অনেক দুঃখ নিয়ে যখন সে চলতে থাকে তখন সেখানে নায়িকার বোন বলে যে সে তাকে ভালোবাসে৷ সে তাকে বিয়ে করবে৷ নায়ক যখন এই কথাটি শুনে তখন সে কোনভাবে এটি মানতে পারছিল না৷ তবে নায়িকার বোন বলছিল যেহেতু এখন সে কষ্ট পাচ্ছে এবং অনেক আগে থেকেই নায়ককে তার পছন্দ ছিল তাই যেন সে তাকে বিয়ে করে৷ নায়িকার মত এরকম বেঈমান মেয়ের সাথে যেন কোনো ভাবে সে আর কথাবার্তা না বলে৷ তখন নায়ক এটি প্রথমে মানতে রাজি ছিল না৷ তবে ধীরে ধীরে সে বিষয়টি মানতে রাজি হয়৷ এর পরবর্তীতে যখন নায়ক নায়িকার ছোট বোনকে বিয়ে করে নায়িকার বাসায় যায় তখন নায়িকা অনেক কান্নাকাটি করে৷ সে তাকে বেঈমান বলে আখ্যা দেয়৷ তবে নায়িকা যে তার সাথে এত বড় বেঈমানি করেছে সেটি সে স্বীকার করছে না। এখন নায়িকার ছোট বোনকে বিয়ে করার পরে তা কোনভাবেই বেঈমানী হয় না৷ তখন নায়িকা তার ভুল বুঝতে পারে৷ সেখানে কান্নাকাটি করতে থাকে৷ নায়ক এবং তার স্ত্রী সেখান থেকে চলে যায় এবং এভাবে নাটকটি শেষ হআমার ব্যক্তিগত মতামত।
খুবই সুন্দর একটি নাটক এটি৷ নাটকের মধ্যে যেভাবে এত সুন্দর কিছু বিষয়কে শেয়ার করা হয়েছে তা আমরা বাস্তব জীবনেও দেখতে পাই৷ কিছু কিছু মানুষকে যখন কেউ ভালবাসে তখন তারা সে ভালবাসার মর্ম বুঝতে পারে না৷ তারা মনে করে যে যেহেতু তাকে পাগলের মতো ভালোবাসে, সব সময় তাকে পাগলের মত ভালবাসতে থাকবে৷ তবে তা কখনোই ঠিক নয়। নায়ক এবং নায়িকার ক্ষেত্রে যখন এরকম ঘটনা ঘটেছিল তখন নায়িকার ছোট বোনের সাথেই নায়কের বিয়ে হয়৷ তবে বাস্তব জীবনে যখন আমরা এরকম ঘটনাগুলো দেখি৷ এরকম বেঈমানের কারণে অনেক মানুষের জীবন নষ্ট হয়ে যায়৷ আবার অনেকে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে৷ আবার অনেকে এত বেশি চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজের জীবন ধ্বংস করার জন্য এগিয়ে যায়৷ শেষ পর্যন্ত তারা এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারে না৷ তাই কখনোই কারো সাথে বেঈমানি করা উচিত নয় এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সৎ থাকা উচিত৷
য়।












